এসএম সুরুজ আলী ॥ বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী এমপি’র জীবনে প্রেমের কোন অভিজ্ঞতা নেই। তিনি বলেন- কারো সাথে প্রেম করার সময় আমার জীবনে কখনও আসেনি। সম্প্রতি বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের ৩শ’ সেকেন্ড অনুষ্ঠানে উপস্থাপন শাহরিয়ার নাজিমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। উপস্থাপক বলেন- আপনার শৈশব ও কৈশোরে আপনে কয়জনের প্রেমে পড়েছেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন- আমি একজন খর্বকার মানুষ। দেখতে এতোটা ভালো না। যার কারণে প্রেম করার সুযোগ আমার কখনও আসেনি। প্রেমের কোন অভিজ্ঞতা আমার নেই। প্রেম যখন তখন মানুষের জীবনে এসে যায়। এ প্রশ্নের জবাবে কাগজে কলমে পড়ার সময়, কিংবা রবীন্দ্রনাথের কবিতায় প্রেমের ইতিহাস পড়েছি। উপস্থাপক প্রতিমন্ত্রীকে একটি প্রিয় গান গাওয়ার অনুরোধ করেন। এতে প্রতিমন্ত্রী বলেন- গান গাই না। তবে গান বলতে গেলে সেটি বলতে হবে- মোর প্রিয়া হবে এসো রানী, দেবো খোপায় তারার ফুল। কার খোপায় তারার ফুল দিয়েছেন এই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন- আমার স্ত্রীর খোপায় তারার ফুল দিয়েছি। আর তার সাথে প্রেম করেছি এবং তাকে ভালোবাসি। এটাই আমার জীবনের প্রথম প্রেম। এটি শেষ প্রেম। রাজনীতি না করলে কি করতেন- উকালতি করতাম। বর্তমানে আমি একজন অ্যাডভোকেট। আপাতত উকালতি থেকে অবসর। রাজনীতি ও উকালতি ভিন্ন জিনিস। রাজনীতি হলো মানুষকে ভালোবাসা। উকালতিতেও মানুষকে ভালোবাসা যায়। যে পেশায় আমি থেকেছি, আমি চেষ্টা করেছি আমার পেশাকে সর্বোচ্চ স্বার্থক করা।
আপনি একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থান করছেন। ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে ভাবতে কেমন লাগে। এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন- আমি নিজেকে কোন ক্ষমতাধর মনে করি না। আমি যখন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই তখনো মনে করিনি আমি ক্ষমতাধর।
কক্সবাজার বা পর্যটন এলাকায় গেলে দেখি বিদেশী নেই। অথচ এদেশে বিদেশী পর্যটকদের দেখার মতো অনেক জায়গা রয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন- সত্য বলতে দায়িত্ব নেয়ার পর বিমান নিয়ে সার্বক্ষনিক ব্যস্ত ছিলাম। বিমানে আশার আলো জাগানো যায় কি না। ইতিমধ্যে আপনারা দেখতে পেরেছেন বিমানে মোটামুটি সফলতা শুরু হয়েছে। এখন পর্যটন নিয়ে কাজ শুরু করবো। শহর ভালো লাগে, না গ্রাম ভালো লাগে। এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন অবশ্যই গ্রাম। গ্রামে যখন যাই যখন মানুষগুলো দেখি তখন মনে হয় আত্মার আত্মীয়দের কাছে এসেছি। গ্রামের মানুষগুলো সহজ সরল। তবে এখন শহর আর গ্রামের মানুষের মাঝে তেমন কোন পার্থক্য নেই।