হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোঃ ফরিদুর রহমান বলেন, সরকার চেষ্টা করছে কোরবানী পশুর চামড়া যাতে বিদেশে রপ্তানী করা যায়। যারা চামড়া সংগ্রহ করেন তাদেরকে লবন ফ্রি দেয়া হবে। চামড়া কমপক্ষে এক সপ্তাহ সংরক্ষণ করতে হবে। সরকার চাচ্ছে লবন দিয়ে যাতে চামড়া এক সপ্তাহ সংরক্ষণ করা হয়। হবিগঞ্জ পৌরসভার খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা চেষ্টা করি যে কোন তথ্য আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে। কারণ আপনাদের কথা মানুষ শোনে। তিনি পৌরসভার কাজে সহযোগিতা করার জন্য ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আপনারা কাজ করতে পারেন। জনসংখ্যা সম্পর্কে সরকারের স্পষ্ট ধারণা থাকলে সুন্দর পরিকল্পনা করা যায়। তিনি পৌরসভার কর আদায়, পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলতে সচেতনতা সৃষ্টি সম্পর্কেও কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি তবে সমাজ পরিবর্তন হবে, রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে। মানুষ যাতে ভালো থাকে সেজন্য আমরা রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করবো। গত ঈদ-উল-ফিতরে ইমাম মুয়াজ্জিনদের হবিগঞ্জ পৌরসভা যে সম্মানী ভাতা দিয়েছে সে তুলনায় এবারের ঈদে সম্মানীর পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ জন্য তিনি পৌরসভাকে ধন্যবাদ জানান।
সভাপতির বক্তব্যে হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক অমিত চক্রবর্ত্তী ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের প্রতি মানুষের রয়েছে অগাধ সম্মানবোধ। ধর্মীয় ইবাদতের পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষার প্রসার ও কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনেও আপনাদের ভূমিকা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, ইসলামী ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জের উপপরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হবিগঞ্জ পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল চৌধুরী। শেষে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার ৮২টি মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের পৌরসভার পক্ষ হতে সম্মানী ভাতা দেয়া হয়। খতিব ও ইমামগণ সম্মানী ভাতা হিসেবে ৪ হাজার টাকা করে এবং মুয়াজ্জিনগন ৩ হাজার টাকা করে গ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি

